বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
টাইব্রেকারে চকরিয়াকে হারিয়ে আন্তঃউপজেলা গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন রামু শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ, কে জিতবে শিরোপা দেব-শুভশ্রী এক যুগ পর পর্দায় আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের প্রশান্তি হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা

সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রয়ে ১০ শতাংশের বেশী মুনাফা করলে ব্যবস্থা

ইমাম খাইর:
সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্যের চেয়ে ১০ শতাংশের বেশী মুনাফা করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ ইমরান হোসাইন।

তিনি জানান, বুধবার (১৪ জুলাই) বাজার মনিটরিং অভিযানে গ্যাস সিলিন্ডার দোকান মালিক সমিতির সভাপতির সাথে আলোচনা করে ক্রয় মূল্যের উপর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ মুনাফায় বিক্রির পরামর্শ দেয়া হয়। তাতে তিনি সম্মতি প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এদিন পরিবেশক সমিতির প্রদর্শিত ১২ কেজি ওজনের গ্যাস সিলিন্ডারের ক্রয়মূল্য হলো- ওমরা ৭৭০ টাকা, যমুনা ৭৪০ টাকা, টোটাল ৮১০ টাকা, এলপি ৬৯০ টাকা, কর্ণফুলী ৭১০ টাকা, ইউরিক ৭২০ টাকা।

কিন্তু খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, প্রতিটা গ্যাস সিলিন্ডারে কমপক্ষে ৩০০ টাকা মুনাফা করে খুচরা বাজারে বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা।

অবাক করা বিষয় হলো, সরকারী এলপি গ্যাসের ডিলার পর্যায়ে ক্রয়মূল্য ৭০০ টাকার নীচে হলেও বিক্রির বেলায় ১০০০ টাকার বেশী নেয়া হচ্ছে।

অতি মুনাফাখোর ও লোভী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী গ্রাহকদের।

এদিকে, কোন দোকানদার প্রদত্ত মূল্যের ১০ শতাংশের বেশি মুনাফা আদায় করলে অভিযোগ করতে পারবে বলে জানান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ ইমরান হোসাইন।

তিনি জানান, দোকানে মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে। বিক্রির সময় ক্যাশ মেমো এবং ক্রয়ের সময় ভাউচারে কার্বণকপি ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এ সংক্রান্ত কারো অভিযোগ থাকলে জানাতে অনুরোধ করেন মোঃ ইমরান হোসাইন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION